
তরিকুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিনিধি:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তিতুমখালী এলাকায় মাছের ঘের দখলের চেষ্টা, মাছ লুট ও গাছপালা কেটে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে বটিয়াঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন সজিত রায় (৪৫)।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পার তিতোখালী মৌজার শিমলা ১২ দাগ নং-৩,১৯-একর জমির একটি ঘের দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে ভোগদখল করে আসছেন সন্জিত রায়। বর্তমানে ওই ঘেরে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার মাছ এবং ঘেরের বেড়িতে প্রায় ২ লাখ টাকার সবজি রয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে ঘেরে প্রবেশ করে জাল ফেলে মাছ ধরে নিয়ে যায়। একই সময়ে ঘেরের পাড়ে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও সবজির গাছ কেটে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।
অভিযোগকারী আরও জানান, বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘেরে গেলে অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে এবং তাদের হাতে থাকা লাঠি-বাঁশ নিয়ে তাকে মারধরের জন্য উদ্যত হয়। এ সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তরা তাদের ভাই পুলিশের একজন ওসি হিসেবে আছে বলে তাদের কেউ কোন কিছু করতে পারবে না বলে হুমকি প্রদান করে।ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বটিয়াঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সঞ্জিত রায়।
অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বটিয়াঘাটায় মাছের ঘের দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তিতুমখালী এলাকায় মাছের ঘের দখলের চেষ্টা, মাছ লুট ও গাছপালা কেটে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে বটিয়াঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন সজিত রায় (৪৫)।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পার তিতোখালী মৌজার শিমলা ১২ দাগ নং-৩,১৯-একর জমির একটি ঘের দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে ভোগদখল করে আসছেন সন্জিত রায়। বর্তমানে ওই ঘেরে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার মাছ এবং ঘেরের বেড়িতে প্রায় ২ লাখ টাকার সবজি রয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে ঘেরে প্রবেশ করে জাল ফেলে মাছ ধরে নিয়ে যায়। একই সময়ে ঘেরের পাড়ে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও সবজির গাছ কেটে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।
অভিযোগকারী আরও জানান, বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘেরে গেলে অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে এবং তাদের হাতে থাকা লাঠি-বাঁশ নিয়ে তাকে মারধরের জন্য উদ্যত হয়। এ সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তরা তাদের ভাই পুলিশের একজন ওসি হিসেবে আছে বলে তাদের কেউ কোন কিছু করতে পারবে না বলে হুমকি প্রদান করে।ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বটিয়াঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সঞ্জিত রায়।
অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— বিবাদীঃ ১। সুশান্ত বিশ্বাস (৫০), পিতা- মৃত ধীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ২। রঞ্জন বিশ্বাস (৫০), পিতা- মৃত সুরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ৩। কৃষ্ণপদ বিশ্বাস (৬৫), পিতা- মৃত কিরন চন্দ্র বিশ্বাস ৪। নবকৃষ্ণ বিশ্বাস (৫৫), পিতা- মৃত কিরন চন্দ্র বিশ্বাস ৫। অন্তু বিশ্বাস (২০), পিতা- প্রশান্ত বিশ্বাস তাদের সবার ঠিকানা বটিয়াঘাটা উপজেলার তিতুমখালী এলাকায় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগকারী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত তথ্য আরও স্পষ্ট হবে।
ঠিকানা বটিয়াঘাটা উপজেলার তিতুমখালী এলাকায় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগকারী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত তথ্য আরও স্পষ্ট হবে।
